চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়ন দীর্ঘদিন ধরেই অবহেলিত একটি জনপদ হিসেবে পরিচিত। নানা সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এই ইউনিয়নের অনেক এলাকাতেই এখনো তেমন কোনো দৃশ্যমান উন্নয়নের ছোঁয়া পৌঁছেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, রাস্তা-ঘাট, সামাজিক সেবা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধার ঘাটতির কারণে ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের প্রত্যাশায় অপেক্ষা করে আসছেন।
এই বাস্তবতায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে সরল ইউনিয়নে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের মুখে মুখে এখন একটি নাম বেশি শোনা যাচ্ছে- এস এম আব্বাস। তিনি আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
স্থানীয়দের মতে, এস এম আব্বাস একজন সাহসী, রাজপথের লড়াকু সৈনিক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার কণ্ঠস্বর হিসেবে এলাকায় পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থেকে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। অসহায় মানুষের সহায়তা করা, অন্যায়ের প্রতিবাদ করা এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে সোচ্চার ভূমিকা রাখার কারণে তিনি ইতোমধ্যে অনেকের আস্থা অর্জন করেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অতীতেও তিনি সরল ইউনিয়নের উন্নয়ন ও বিভিন্ন জনস্বার্থের বিষয়ে সরব ছিলেন। এমনকি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়েও তিনি বাঁশখালীর তৎকালীন সংসদ সদস্যের সামনে সরাসরি বিভিন্ন অনিয়ম ও অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন বলে স্থানীয়রা জানান। উন্নয়ন ও জনস্বার্থের প্রশ্নে আপসহীন অবস্থানের কারণেই অনেকের কাছে তিনি একজন সাহসী ও স্পষ্টভাষী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।
সরল ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের আশা, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে এমন একজন নেতৃত্ব নির্বাচিত হবেন, যিনি দীর্ঘদিনের অবহেলিত এই জনপদে উন্নয়নের নতুন ধারা সৃষ্টি করতে পারবেন। অনেকেই মনে করছেন, যদি সুযোগ পান, তাহলে এস এম আব্বাস সরল ইউনিয়নের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
এদিকে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে কে হবেন সরল ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান এবং কার হাত ধরেই আসবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা-যে নেতৃত্বই আসুক, সরল ইউনিয়নের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করে উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হোক।